তিনদিনের কাউন্সিলিং এবং কিছু কথা

নারগিস দোজা

বসবাসের জন্যে শ্রেষ্ঠ দেশগুলোর মধ্যে কানাডা একদম ওপরের দিকে বলে গণ্য করা হয়। জনগণের প্রয়োজনগুলো পূরণে তারা যথেষ্ট আন্তরিক। এদেশের চিকিৎসাব্যবস্থা যথেষ্ট প্রশংসনীয়। দেশের সরকার, প্রাদেশিক সরকার, সবসময়ই ইমিগ্রেশন বান্ধব। বাংলাদেশের মতো এদেশেও অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আছে। তবে এদের সাথে বাংলাদেশি সংস্থাগুলোর বিস্তর পার্থক্য। এদেশে অসংখ্য সেচ্ছাসেবী সংস্থা আছে, যারা জনগণের জন্যে কাজ করে। কেউ ধর্মীয়ভাবে, কেউ মানবিকভাবেই। এদেশে ক্যাথোলিক চার্চগুলোর আন্ডারে প্রচুর দাতব্য কাজকর্ম হয়। তারা ধর্মীয়ভাবে কাজ করলেও তারা অন্য ধর্মের মানুষদেরকেও সাহায্য করতে পিছপা হয় না। এমন একটি সংস্থা- ইয়ং স্ট্রিট মিশন। তাদের ব্রেকফাস্ট কিচেনে সব ধর্মের মানুষকেই পরিবেশন করা হয়। তাদের ফুডব্যাঙ্কের দরজা সকল ধর্মের মানুষের জন্য খোলা। এখানে মানবতার জয় সবসময়ই হয়।

আমি কানাডায় বসবাসকারী একজন বাংলাদেশি কানাডিয়ান। আজ আমি একজন ঘরকুনো বাংলাদেশি চল্লিশোর্ধ্ব পৌঢ়ার কানাডা বাসের কিছু অভিজ্ঞতার বয়ান লেখার চেষ্টা করবো, যার শুরুটা মোটেই ভালো ছিল না। তবে আমার সাথে এই ধরনের মানবিক কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পরিচয় হয়েছিল। যারা সদ্য ইমিগ্রেশন করে আসা একজন প্রৌঢ়াকে ঘুরে দাঁড়াতে, নিজের ওপর আস্থা ফিরে পেতে সাহায্য করেছিল। আমি জানি না কানাডায় এই ধরনের অভিজ্ঞতা আর কারো হয়েছে কি না, যা হৃদয়ে দাগ কেটে যায় চিরদিনের মতো।

কানাডায় আসার আগেও বিভিন্ন দেশে আমার থাকার সুযোগ হয়েছিল স্বামীর চাকরির সুবাদে। দোজা সাহেব দেশ থেকে চাকরি নিয়েই গেছেন সবসময়। যেহেতু দোজা সাহেব ভালো জব করতেন, ফ্রি ফার্নিস বাড়ি-গাড়ি পেতেন, কাজেই ভালোই কেটেছে দিনগুলো। আমার ধারণা হয়ে গিয়েছিল প্রবাস জীবন এমনটাই। কিন্তু দুই বছরের জন্যে যাওয়া আর সুটকেস গুছিয়ে দেশ ছেড়ে একেবারে চলে যাওয়ার মধ্যে যে অনেক তফাৎ, সেটা তখন টের পাইনি। শিক্ষাটা পেলাম কানাডা আসার পর।

কানাডাতে আসার পর পরিষ্কার হতে শুরু করলো ব্যাপারটা। কানাডা আসার পর হোঁচট খাওয়ারও শুরু হয়ে গেল। শুরু হলো দেশের একটা সিকিউরড জগৎ থেকে অন্য পৃথিবীতে পৌঁছানোর গল্প। দেশে তো পিওর হাউস ওয়াইফ ছিলাম। শিক্ষাগত যোগ্যতাও চাকরি করার মতো ছিল না। কানাডা আসার পর যখন চাকরি খোঁজার দরকার পড়লো, আমি হাবুডুবু খেতে লাগলাম। আমার সব কিছু এলোমেলো হয়ে গেল।

কানাডা আসার পর সচরাচর অনেক মানুষ দ্রুতই জব পেয়ে যায়। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সেটা হয় পরিচিতদের সাহায্যে। আমার তেমন কেউ থাকলে কী হতো, জানি না। হয়তো হতো, হয়তো কিক দিয়ে ভাগিয়ে দিতো কে জানে! টরন্টো আসার পর কিছুদিন ডলারামা এই ধরনের জায়গায় জব খুঁজেছি। তারপর চাইল্ড কেয়ার কোর্স করেছিলাম। চাকরির জন্য দোজা সাহেব একটা রেজুমি বানিয়ে দিলেন। সেটা নিয়ে ফাস্টফুডের দোকানগুলোর সামনে দাঁড়াই ঠিকই কিন্তু দরজা পার হয়ে ভিতরে যেয়ে কথা বলতে পারি না। তাদের সামনে যেয়ে চাকরি চাইতে পারি না। যদি কোথাও বলেও ফেলি, বলার ধরনে পত্রপাঠ বিদায় করে দেয়। এভাবে যাই বার বার, যেয়ে দাঁড়াই নানা জায়গায়। ঐ দাঁড়ানো পর্যন্তই। ভিতরে আর যেয়ে জিজ্ঞেস করা হয় না! কিছু একটা পিছনে টেনে রাখে। কে না জানে এই দেশে একজনের জবে সংসার চলে না বিশেষ করে যদি সেটা প্রোফেশনাল জব না হয়। চাকরি করার জন্য তাড়া খাচ্ছি। ভাবলাম, ইএসএল-এ ভর্তি হই। কাছে একটা স্কুল ছিল সেখানে ভর্তি হয়ে গেলাম। সেখানে দেশি-বিদেশি কিছু মানুষের সাথে প্রথমবারের মতো পরিচয় হলো। তারাও জবের সুবিধা হবে ভেবে গেছে সেখানে। বাংলাদেশি দুই-একজন থাকায় মনে হয় কিছু জড়তা কমতে শুরু করেছিল। সেখানে এক বাংলাদেশি ভাবির মুখে ‘ডিকসন হল’ নামে এক প্রতিষ্ঠানের কথা শুনলাম। স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান। ইউনাইটেড আওয়ে নামে এক সংস্থা দ্বারা পরিচালিত। ভাবী সেখানে লিঙ্ক পরিচালিত আর্লি চাইল্ডহুডের ওপর ক্লাস করতে যায়। ভাবীর কাছ থেকে ঠিকানা নিয়ে একদিন যেয়ে দেখা করলাম। টিচারকে বললাম, ভর্তি হতে চাই। সেখানে জানতে পারলাম, বড়ো প্রতিষ্ঠান। নানা ধরনের জিনিস শেখায়। রেজুমি তৈরি করা, নেট ব্যবহার করা। আর্লি চাইল্ডহুড কেয়ার নিয়ে ক্লাস তো আছেই। তবে ভর্তি হতে হলে ইন্টারভিউ দিতে হবে। নেওয়া হবে কি না সেটা ঠিক করা হবে ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে। ইন্টারভিউ দেওয়ার পর তারা সাজেস্ট করে আমার কাউন্সিলিংয়ের দরকার। কী কাউন্সিলিং! কিসের কাউন্সিলিং কিছু না জেনেই রাজি হয়ে যাই। তিনদিনের জন্যে কাউন্সিলিংয়ের জন্যে সিলেক্ট করা হয়। সেটা হবে পরের সপ্তাহ থেকে। কাউন্সিলারের নাম বেটি সামথিং।

পরের সপ্তাহে সময়মতো যাই। কাউন্সিলিংয়ের শুরুর পর প্রথমদিন বেটি ম্যাম অনেক কথা বলেন আমার সাথে। নানা কিছু জিজ্ঞেস করেন জানতে চান। কাউন্সিলার ম্যাম আসলে বুঝতে চেষ্টা করছিলেন আমার সমস্যাগুলো কী। অনেক কথা হয় আমাদের মধ্যে। তিনি মনোযোগ দিয়ে আমার সব কথা শুনতে চান। এমন করে কেউ কখনো আমার কথা শুনতে চায়নি। কেউ কখনো আমাকে বুঝতে চেষ্টা করেনি। তারপর শুরু হয় কাউন্সিলিং। তিনদিন ধরে ক্রমাগত আমার সাথে কথা বলেছেন আমাকে বুঝিয়েছেন। আমার নিজের ওপর বিশ্বাস গড়তে সাহায্য করেছেন। আস্থা রাখতে শিখিয়েছেন। মনোবল বাড়াতে সাহায্য করেছেন। বুকের ভিতর সাহস ঢুকিয়ে দিয়েছেন এই বলে বলে আমিও পারবো! সেই তিনদিনের কাউন্সিলিং একজন ঘরকুনো আনফিট চল্লিশোর্ধ্ব বাংলাদেশি মহিলাকে কতোটা সাহায্য করেছিল, তা শুধু আমিই জানি। আল্লাহ ওনার ভালো করুন। আর্লি চাইল্ডহুড কেয়ারে ক্লাস করতে থাকি। টিচার একদিন জানায় ভলান্টিয়ার করার কথা। বলে, ভলান্টিয়ারিং রেজুমিকে সমৃদ্ধ করে। কোর্সের মাঝামাঝি একদিন সবাইকে নিয়ে যায় একটা চাইল্ড কেয়ারে। কোর্স শেষ হওয়ার আগে আবার ইন্টারভিউ হয় সবার। আবার আমার সাথে দেখা হয় কাউন্সিলার বেটি ম্যামের সাথে। ম্যাম আমার সাথে কথা বলে বলেন, তোমার তো অনেক চেঞ্জ হয়েছে। ম্যাম বলেন ডিকসনহলের একটা ইয়ার্লি অনুষ্ঠান হবে। সেখানে আমি যদি ছোটো একটা স্পিচ দিই, ডিকসন হল আমাকে কীভাবে সাহায্য করেছে এই ব্যাপারে। আমি রাজি হয়েও পিছিয়ে যাই। আমি প্রথমবারের মতো স্পিচ দেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করি। ডাহা ফেল যাকে বলে। কোর্স শেষে সেই তিনদিনে পাওয়া সাহসের ভাণ্ডার আর ম্যামের ব্লেসিং নিয়ে আমি পথে নামি। খুঁজতে থাকি, কোথায় করায় ভলিন্টিয়ার। জানতে পারি, বাসার কাছেই ইয়ং স্ট্রিট মিশন নামে আর একটা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আছে, তারা ভলিন্টিয়ারদের সাথে কাজ করে সেখানে গিয়ে বলি আমি ভলান্টিয়ার হতে চাই। আশ্চর্য আমার হাত-পা কাঁপে না। ইয়ং স্ট্রিট মিশন আমার দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। ক্যারেনের ডে কেয়ারে ভলান্টিয়ার হিসেবে যোগ দিই। তাদের থ্রিফট স্টোর ডবলটেক। যেটা চলে ডোনেশনের জিনিস দিয়ে। সেখানেও ভলান্টিয়ার হই। এই সবকিছু ঘটে তিনদিনের কাউন্সিলিং পাওয়া সাহসে। আর আমার বিশ্বাস ম্যামের ব্লেশিংও সাথে ছিল। তাদের দোকানে এবং ‘ডে কেয়ার’ করা ভলান্টিয়ারিং মানুষের সাথে মেশার সুযোগ করে দেয়। অন্য ভলান্টিয়ারদের সাথে মিশি, তাদের আনন্দে ভাগিদার হই। বন্ধুত্ব হয়। সব থেকে বড়ো কথা, ভলান্টিয়ার করা স্টোরেই একসময় আমার জব হয়ে যায়! বেতনের চেক পেয়ে চোখের পানিতে ভেসে যাই। কানাডার দুটো স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সুদূর বাংলাদেশ থেকে আসা কালচার, এথনিসিটি, ধর্মের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও একজন প্রৌঢ়ার জীবন ঘুরিয়ে দেয়। তাদের হাত ধরে তার পথচলা শুরু হয়। এরপর ডন নদীর পানি অনেক বয়ে গেছে। জীবন এলোমেলো উলট-পালট হয়ে গেছে।

২০০৬ সালে চাকরি শেষ হওয়ার পর ২০০৮ সালে আমার ব্রেস্ট ক্যান্সার ধরা পড়ে। আমার চিকিৎসা শুরু হয় যে হাসপাতালে সেটার যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৮৯১ সালে। ১৯৫১ সালে ফ্রান্স থেকে কয়েকজন রোমান ক্যাথোলিক নান টরন্টো আসেন। তারা ছিলেন প্যারিসের সেন্ট যোসেফের নান, যারা সেখানে স্বাস্থ্যসেবাও দিতেন। সেই সময় টরন্টো শহরে ডিপথেরিয়ার প্রাদুর্ভাব ঘটলে শহরের মেডিকেল অফিসার ডিপথেরিয়ার রোগীদের সেবা দেওয়ার জন্যে একটি হাসপাতাল খুলতে অনুরোধ করেন। ২৬ জন রোগী ও ছয়জন ডাক্তার নিয়ে হাসপাতালটি উদ্বোধন করা হয়। সেই হাসপাতালটির নামই সেন্ট মাইকেল হাসপাতাল। এই হাসপাতালেই আমার ক্যান্সারের ট্রিটমেন্ট চলে ২০১৩ সাল পর্যন্ত।

দুই হাজার উনিশে আমি ফেসবুকের সাথে পরিচিত হই। জীবনের মোড় ঘোরা শুরু হয়। যদিও পরিবারের সবার আগে থেকেই সেটা ছিল। যদিও প্রথম দিকে একটিভ ছিলাম না তেমন কোনো। রিলেটিভদের পোস্টে লাইক আর কমেন্টসেই সীমাবদ্ধ ছিল তা। হঠাৎ করে দুই-একটা গ্রুপে যোগাযোগ হয়ে যায়, যার একটি ছিল মেয়েদের। সেখানে দুই-একজন লেখিকাও ছিল। তার মধ্যে একজন তার নতুন উপন্যাস ধারাবাহিকভাবে সেখানে পোস্ট করতো। এছাড়াও গ্রুপে টুকটাক লেখালিখিও চলতো। যেমন প্রবাসজীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে বা নিজের পরিচিতিমূলক প্রবন্ধ। আমি সবসময়ই ভালো পাঠক। প্রচুর পরিমাণে বই পড়তাম দেশে থাকতে। যেমন- কবিগুরু, নজরুল, আশাপূর্ণা দেবী, বিমল মিত্র, শরৎচন্দ্রর বই পড়েছি তেমন হুমায়ূন আহমেদ, জাহানারা ইমাম, রিজিয়া রহমান এদের বইও পড়েছি। কানাডা আসার পর বাংলা বইয়ের অভাবে ইংরেজি বই পড়া শুরু করি। ডাউন টাউনে গুডউইল বইয়ের অভাব মিটিয়েছে। আর ই-বুক রিডার তো ছিলই। তবে এতদিন পর বাংলা ভাষায় ফিরতে পেরে আমি হাঁফ ছেড়ে বাঁচি। মাতৃভাষা ছাড়া দিন কাটানো খুব কষ্টের। মেয়েদের গ্রুপ হলেও লেখার চর্চাটা ছিল সেখানে আশ্চর্যজনকভাবে। সেখানে সবার মতো আমিও নিজের অনুভূতি প্রকাশের চেষ্টা করি। লেখক নাজমুন নাহার লাডলি সেটা পড়ে বলে তোমার লেখার হাত আছে। তুমি লেখালিখিতে ভালো করবে। পরে সে নিজেই কয়েকটি সাহিত্য গ্রুপে অ্যাড দেয় আমাকে। সবার লেখা পড়ি সাথে নিজেও চেষ্টা করি লেখার। কবিতা গল্প লিখি। এর মধ্যে লাডলি যৌথ গল্পগ্রন্থ বের করবে ডিসিশন নেয়। সেটাতে আমার লেখা গল্প সিলেক্ট হয়। এভাবেই এসে পড়ি লেখালিখির জগতে। পাঠক থেকে লেখক। আরো কিছু সাহিত্য গ্রুপে যোগ দিই। লেখালিখি করি টুকটাক। সম্পাদকের ছুরির তলায় প্রায়শই কাটা পড়তে থাকে সেসব লেখা। আমি হাল ছাড়ি না। লেগে থাকি মাটি কামড়ে। আর আবারো পুরাতন সেই তিনদিনের কাউন্সিলিং আমাকে সাহস দেখায়। আস্থা যোগায়। সাহস করে আমি কলম আঁকড়ে ধরি। কলম হাতে নেওয়ার পর আর থামিনি। ডিকসন হলের বেটি ম্যামের কাউন্সিলিং অভয় দেয় আমাকে। সাহস যোগায়। একসময় আরো কিছু সংকলনে স্থান পায় আমার লেখা। আমি উপলব্ধি করি, এটাই আমার ভবিতব্য। তখন থেকে কলমকেই আঁকড়ে ধরেছি শক্ত করে, বন্ধুর মতো। পথ চলা শেষ হয়নি। চলার পথে দুই একটা একক বইও বের হয়েছে। ২০২১ সালে অসুস্থতার কারণে ফ্যামিলি ডাক্তারের কাছে যাই। সেসময় কোনো এককারণে আমার মন খুব খারাপ ছিল। ডাক্তারের সাথে কথা হয়। তিনি আরো কথা বলার জন্যে টাইম দেন। সেই প্রথম জানতে পারি আমার এংজাইটি প্যানিক এটাক আছে। সাথে ডিপ্রেশন। আমি চলন্ত কিছুতে পা রাখতে পারি না। প্যানিকড হয়ে যাই। মানুষের কাছে এপ্রোচ করতে পারি না ফ্রিজ হয়ে যাই । ট্রিটমেন্ট শুরু হয়। কিছু জিনিস ওভারকাম করতে পেরেছি, কিছু পারিনি। আজও চলন্ত কিছুতে চড়তে পারি না। তবে জীবন থেমে থাকেনি। আজও পথ চলছি তিনটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা থেকে কুড়িয়ে পাওয়া ব্লেস, আর সাথে নিয়ে ডিকসন হলের কাউন্সিলার ম্যামের কাছ থেকে ফিরে পাওয়া- নিজের ওপর বিশ্বাস, আস্থা আর একমুঠো সাহস নিয়ে।

লেখক পরিচিতি
বাংলাদেশি কানাডিয়ান। জন্ম ১৯৫৬। পেশা গৃহিণী। সখ লেখালিখি। প্রকাশিত একক বই: ‘আভিজাত্যের অন্তরালে’ (উপন্যাস), ‘মধ্যবিত্তের সুখ-দুঃখের কাব্য’ (উপন্যাস), ‘একমুঠো নক্ষত্র’ (কবিতা)। যন্ত্রস্থ : ‘কবিতা সন্ধ্যা’ (কবিতা, বাংলা ইংরেজি)। ‘অজানায় পাড়ি’ (উপন্যাস)।