শাহানা আকতার মহুয়া পেলেন বামে-ইহাস: প্রবাসে নতুন মাইলফলক পুরস্কার
শাহানা আকতার মহুয়া পেলেন প্রথম বামে-ইহাস বাংলামেইল–কবি ইকবাল হাসান সাহিত্য পুরস্কার ২০২৬। প্রবাসে বাংলা সাহিত্যের জন্যে এই প্রথম এক সম্মানজনক বড় পুরস্কার।
শাহানা আকতার মহুয়া পেলেন প্রথম বামে-ইহাস বাংলামেইল–কবি ইকবাল হাসান সাহিত্য পুরস্কার ২০২৬। প্রবাসে বাংলা সাহিত্যের জন্যে এই প্রথম এক সম্মানজনক বড় পুরস্কার।
কানাডার ভ্যাঙ্কুভার-নিবাসী কবি, কথাসাহিত্যিক, অনুবাদক ও সম্পাদক শাহানা আকতার মহুয়া পেল কানাডার সম্মানজনক প্রথম ‘বাংলামেইল–কবি ইকবাল হাসান সাহিত্য পুরস্কার ২০২৬’।
আজকে অনেকদিন পর বেলার ফোন। ফোন করেই জানতে চায়, কী করছো। অঞ্জন মৃদু উত্তর দেয়, একটু ব্যস্ত আছি। বেলা ছাড়ে না। কী নিয়ে ব্যস্ততা। অঞ্জন ভাবে, না বলা পর্যন্ত ঠাঁই নেই।
সাহিত্য এমন এক শিল্পমাধ্যম, যেখানে মানুষের অন্তর্জগত, অনুভূতি, অভিমান, স্বপ্ন, প্রতিবাদ এবং ভালোবাসা এক অদ্ভুত মায়ায় শব্দ হয়ে জন্ম নেয়। একজন লেখক যখন লেখেন, তখন তিনি কেবল গল্প…
আজ বরফঢাকা প্রবাসের ফেব্রুয়ারির এক বিষন্ন সকালে ঘুম ভাংগতেই অসামান্য এক উপহারে মন আপ্লুত হলো এক অনুপম ভালোবাসায়। আমার তিন বছরের নাতনি অরিত্রি ফাতিমা রহমান…
ঈদের আগে তো যেন উৎসব লেগে যেত – চুড়িদার, বেল-বটম প্যান্ট, পাঞ্জাবি (বকরম লাগানো), ফ্রকের জন্য ক্যানক্যান – নিজেদের জন্য তো বটেই, বন্ধুদের জন্যও সেলাই করতাম।
আমার দাদার নাম ছিল নাসিরউদ্দিন আহমেদ। মজার ব্যাপার হলো – আমার জীবনসঙ্গীর নামের সঙ্গে খুব মিল ছিল দাদার নামের। আমার দাদির নাম ছিল রওশন আখতার।
প্রথম দর্শনেই অনুভব করেছিলাম এক ঐশ্বরিক বিশালত্ব। সেই সঙ্গে ছিল নিজেকে তুচ্ছ মনে হওয়ার এক অদ্ভুত অনুভূতি। আমার তিন ফুটের ছোট্ট শরীরটি তখন যেন তিন ইঞ্চি হয়ে গিয়েছিল।
খয়েরি মানুষের সমাজে এসব খুবই পরিচিত কথা। আমরা প্রায়ই শুনি। তার থেকেও আশ্চর্যের বিষয় হলো, আজকের দিনে যখন বিশ্বায়নের কারণে ঘরে বসেই পৃথিবীর এক প্রান্তের খবর আরেক প্রান্ত থেকে…
মানুষের জীবনে কখনও কখনও এমন কিছু ঘটে, যা সে নিজেও আশা করেনি। আমিও ভাবিনি কোনো দিন এমন একটি দেশে বাস করবো, যেখানে শীতকালে বাইরে বের হলে নাকের ডগা জমে যায়…
প্রথমেই বলে রাখতে চাই, জাপান নিয়ে আমার গবেষণা এবং লেখালেখির বয়স দুই দশকের। সব মিলিয়ে এই বিষয়ে গোটা পনেরো বই ইতোমধ্যে লিখে ফেলেছি। ছাপা হয়েছে টোকিও, ঢাকা, দিল্লি…
বাড়ির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ছবির মত নদীর বুকে ছিল এক বাঁশের সাঁকো। সেই বাঁশের সাঁকোতে চড়ে দু’টো খেলা ছিল আমাদের কাছে ভীষণ মজার! যার প্রথমটা ছিল, সাঁকো বেয়ে নদীর একেবারে…
গত মাসে কানাডার অন্যতম একটি বৃহৎ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, হাডসন বে আকস্মিক দেউলিয়া ঘোষণা করে এবং তাদের ব্যবসা এখন বন্ধ হতে চলেছে। সংবাদটি কানাডাবাসীর জন্য বেশ কষ্টের এবং তাঁরা এরকম একটি সংবাদ শোনার জন্য মোটেই প্রস্তুত ছিল না।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি বিষয় নিয়ে লেখার ইচ্ছা ছিল এবং সে অনুযায়ী কিছু তথ্য সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করছিলাম। এমন সময় কানাডাপ্রবাসী পরিচিত কয়েকজনের কাছ থেকে ফোন পেয়ে ভাবলাম যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বিষয়টি আগামী সপ্তাহের জন্য সরিয়ে রেখে আলোচ্য বিষয় নিয়ে কিছু লেখার চেষ্টা করি।
গত সপ্তাহে কানাডায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল জাতীয় নির্বাচন (ফেডারেল ইলেকশন) এবং সেই নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও মার্ক কার্নি চমকে লিবারেল পার্টি জয়লাভ করেছে। বিগত এক মাসে বাংলাদেশে যতজনের সাথে ফোনে কথা হয়েছে, তাদের প্রত্যেকের জানার বিষয় ছিলো কানাডার নির্বাচন।
আমরা যারা অর্থনীতি বা বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করেছি, তাদের উন্নয়ন অর্থনীতি বা ডেভোলপমেন্ট ইকোনমিক্স নামের একটি বিষয় পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই পাঠ্যসূচীর মধ্যে একটি অর্থনৈতিক তত্ত্ব ছিলো, তা হচ্ছে দারিদ্রের দুষ্টচক্র।
নিরঞ্জন রায় কানাডার বৃহত্তম বাণিজ্যিক শহর টরন্টোর কিছু এলাকা আছে যেখানে অধিক সংখ্যক বাংলাদেশি বসবাস করে। এর মধ্যে ড্যানফোর্থ অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি বসবাস করে। এর অনেক কারণও আছে। যারা প্রথম এখানে আসে, তাদের জন্য এলাকাটি খুবই সুবিধাজনক। অধিক সংখ্যাক বাংলাদেশীদের বসবাস থাকায় খুব সহজে একটি বাসা যেমন ভাড়া পাওয়া…
আমরা যারা লেখালেখির চেষ্টা করি, তাদের অনেকেই ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা পাঠকদের সাথে শেয়ার করার উদ্দেশ্যে লেখায় উল্লেখ করে থাকি। বিষয়টি অনেক পাঠকের কাছে পছন্দ নাও হতে পারে। কেননা তাঁরা ভাবতে পারেন যে ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা সবাইকে জানানোর প্রয়োজন নেই।
বাংলাদেশে থাকতে আমি কখনই রাজনীতির সাথে যুক্ত হবার চেষ্টা করিনি। সত্যি বলতে কি, বাংলাদেশের যে রাজনীতি আমরা প্রত্যক্ষ করেছি, তাতে নিজেদের সেভাবে জড়িত করার মত অবস্থা ছিলনা। তাই সেখানে নিজের পেশা নিয়েই ব্যাস্ত থাকার চেষ্টা করেছি।
গত সপ্তাহে কানাডায় এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে দুজন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশী অকালে মৃত্যুবরণ করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহত্তম বাণিজ্যিক শহর টরন্টো থেকে প্রায় দেড়শত কিলোমিটার উত্তরে কত্রা লেক অঞ্চলে।
আমরা ছাত্রজীবনে একটা কথা প্রায়ই শুনতাম, তা হচ্ছে “তৃতীয় বিশ্বের দেশে প্রতিটা শিশু ভূমিষ্ঠ হয় বিশাল এক ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে”। আমাদের শিক্ষকরা যখনই অর্থনীতি বিষয়ে পড়াতেন এবং তৃতীয় বিশ্ব বা উন্নয়নশীল দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা নিয়ে কথা বলতেন, তখনই এই বিসয়ে কথা বলেছেন।