হ্যাঁ, আমি কানাডার কথা বলছি
ফাহমিদা নীপা
মাঝে মাঝে ভাবি
এই দেশটা ছেড়ে চলে যাবো
নিজের দেশে চলে যাবো।
একেকদিন মনে হয়
নাহ্ এত কষ্ট আর করতে পারছি না
চলেই যাবো এখান থেকে।
প্রচণ্ড শীতে কাতর হয়ে ভাবি
কেন এত কষ্ট সহ্য করে এখানেই থাকতে হবে আমার?
আবার সামার এলেই মনে হয়
এত সুন্দর দেশ পৃথিবীর আর কোথাও নেই
পরিচ্ছন্ন পরিবেশ শীতল বাতাস যখন প্রশান্তি দেয়
তখন মনে হয়, নাহ্ কোথাও যাওয়ার দরকার নেই আর।
এবং মাঝরাতেও যখন কাজ থেকে নিরাপদে বাড়ি ফেরা যায়;
তখন মনে হয়, এটাই তো আমার দেশ।
হ্যাঁ আমি কানাডার কথা বলছি
বলছি আমার সেকেন্ড হোমল্যান্ডের কথা।
আমি কানাডায় এসেছি ২০১০ সালের মার্চ মাসের শুরুর দিকে। দেশে আমার আম্মাকে একলা রেখে মনের ভিতরে অনেক কষ্ট আর অল্প কিছু স্বপ্ন নিয়ে চলে এলাম এদেশে। তখনও শীতকাল, অল্প স্নো এখানে সেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। ঢাকা থেকে টরন্টো। পিয়ারসন থেকে বেরিয়ে মনে হলো- ওয়াও, এত পরিষ্কার চারপাশ! রাস্তাঘাট, এমনকি আকাশটাও ভীষণ পরিষ্কার। ব্যস, শুরুতেই প্রেম হয়ে গেল আমার এই দেশের সাথে!
বাংলাদেশে আমার এক সহকর্মী ছোটো ভাইয়ের একমাত্র ছোটো বোন শিপুর বাসায় এসে উঠলাম টেম্পোরারিলি। সাথে আমার পুরো ফ্যামিলি, মানে আমার দুই মেয়ে, তাদের বাবা আর আটটা ছোটো-বড়ো ব্যাগ। আমি কোনোদিন তাঁদের এই উপকারের কথা ভুলবো না। ওঁদের তখন কোনো সন্তান-সন্ততি নেই। একেবারেই নতুন দম্পতি ওঁরা। আমাদের এই চারজনের জন্য থাকা-খাওয়ার বন্দোবস্ত করে দিলেন উনারা। সাতদিনের মধ্যে নিজেদের ছোট্ট ভাড়া বাড়িতে ওঠা, বাচ্চাদের স্কুলে ভর্তি আর ব্যাংক একাউন্ট করা থেকে শুরু করে, হেলথ কার্ড, সিমকার্ড সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কাজ শেষ হলো। এসব কিছুর জন্য শিপুর হাজবেন্ড আমাদের অনেক সাহায্য করেছেন। এরপর শুরু হলো আসল সংগ্রাম, কাজের অনুসন্ধান।
এখানে যেহেতু প্রতি বছরই অনেক ইমিগ্র্যান্ট আসে, তাই বেশ কিছু অর্গানাইজেশন আছে যারা কাজ করে শুধুমাত্র নিউকামারদের নিয়ে। কীভাবে কাজের জন্যে এপ্লাই করতে হয়, কী করে এদেশের মানুষের সাথে সহজ করে ইংরেজিতে কথা বলতে হয়, কোনটা আসল বা actual career related কাজ আর কোনটা শুধুমাত্র survival work ইত্যাদি নিয়ে ওরা ক্লাস নেয় এবং পাশাপাশি কাউন্সেলিং-ও করে। আমি খোঁজ-খবর করে একটা ক্লাসে ভর্তি হলাম, সেটা ছিল মারখাম রোড আর লরেন্স এভিনিউ ইন্টারসেকশনে। ওখানে যারা আমার টিচার এবং ক্লাসমেট ছিলেন তারা সবাই এখনও আমার বন্ধুপ্রতিম। এখানে বলে রাখি যে, এসব ক্লাসগুলোর সবই ফ্রি, অর্থাৎ কোনো টাকা খরচ করতে হয় না এগুলোর জন্যে।
শুরুর দিকে কারোরই গাড়ি থাকে না। কারণ, ড্রাইভার্স লাইসেন্স পেতে নির্দিষ্ট কিছু সময় দিতে হয়। আমার কাছে প্রথম যে বিষয়টি বিস্ময়কর বলে মনে হয়েছে তা হলো, একজন বাস ড্রাইভারের বিনয়ী আচরণ। আমি সদ্য বাংলাদেশ থেকে এসেছি তাই আমি জানি সেখানে একজন মহিলা বাস যাত্রীকে কতটা হেনস্থা হতে হয়। এখানে বাসে উঠলেই বাস ড্রাইভার আমাকে ‘হাই, হ্যালো, গুডমর্নিং’ বলে গ্রিট করছে, বাস থেকে নামার সময় ‘আমার দিনটি যেন ভালো কাটে’ সেটাও বলছেন। বাংলাদেশের মানুষ হিসেবে এ-এক অন্যরকমের ভালো লাগা। আজও, এমনি করেই যেন ভালো লাগা বেড়েই চলেছে এদেশের জন্য আমার।
২.
কাজ পাওয়ার ব্যাপারে আমার কপাল সবসময় ভীষণ অনুকূলে থাকে। এই জীবনের এ-এক আনন্দময় অভিজ্ঞতা বটে। এখানকার বাঙালি কমিউনিটিতে খুবই পরিচিত একজন দাদা, মানে শক্তিদা’র কথা বলছি, ওনার অফিসে আমি কাজ পেয়ে গেলাম সহজেই। দাদা ভীষণ দয়ালু মানুষ, কোনোকিছু বিচার না করেই, কোনো ধরনের কানাডিয়ান কাজের অভিজ্ঞতা নেই জেনেও আমাকে তিনি উইকেন্ডে কাজ দিলেন। শনিবার এবং রবিবার বেলা এগারোটা থেকে চারটা, মোট পাঁচ ঘণ্টা কাজ। এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে আমি কাজ শুরু করলাম। আমার পোস্টটি ছিল অফিস এসিসটেন্ট। আমি কাজটি সম্পর্কে তেমন কিছুই জানি না, শক্তিদা আমাকে একটু একটু করে প্রতিদিন জব ডেস্ক্রিপশন নিয়ে আলাপ করেন। আমি খুব মন দিয়ে শেখার চেষ্টা করে যাই। মনের ভিতরে চিন্তা শুধু একটাই, আমাকে এই সুন্দর দেশে টিকে থাকতে হবে, আমি আমার বাচ্চাদের জন্য এই সুন্দর দেশটা উপহার দিতে চাই।
এরপর ‘ভোরের আলো’ নামের একটি বাংলা নিউজ পেপারে কাজ শুরু করি। টরন্টোতে আসার পর আমি প্রথম বেতন পেয়েছিলাম এই বাংলা পত্রিকা থেকে। মোট $২৬০, আমি কোনোদিন ভুলতে পারবো না সেই খুশির অনুভূতিটা। সেখানে কয়েক মাস ধরে কাজ করছি আর পাশাপাশি চেষ্টা করতে থাকি টিম হর্টনে কাজ পাওয়ার ব্যাপারে। এক পর্যায়ে অনেক চেষ্টা করে পেয়েও যাই।
৪ লিবোভিক এভিনিউ-এর টিম হর্টনে সাড়ে তিন বছর কাজ করি আমি। অসম্ভব আনন্দ আর ডেডিকেশন নিয়ে কাজ করেছি সেখানে। ওখানে কাজের অভিজ্ঞতা থেকে আমি যা শিখেছি তা সারাজীবন আমার পাথেয় হয়ে থাকবে। ইংরেজিতে ফ্লুয়েন্সি যতটুকু এসেছে সেটা ওখান থেকেই, কাস্টমার কেয়ার শেখার ক্ষেত্রে- টিম হর্টনের তুলনা নেই। আমি সবসময় আমার কৃতজ্ঞতা জানাই পুরো টিমকে। ওঁরা এখনও সবাই আমার আত্মীয়ের মতো। ঠিক যেদিন টিম হর্টনের কাজটা সত্যিই পেলাম সেদিন মনে হলো- যাক, আমি হয়তো এদেশে টিকে থাকতে পারবো! দেশে আম্মাকে ফোন করে বললাম, আমি একটা ভালো কাজ পেয়েছি, তুমি দোয়া করো। আম্মা বললো- “অফিস কোথায়, কয়টা থেকে কয়টা পর্যন্ত কাজ করতে হবে?” সেই প্রশ্নের উত্তরে সেদিন আমি মিথ্যা বলেছিলাম। কিন্তু মাস ছয়েক পর প্রথম যেদিন আম্মাকে ২০০ ডলার পাঠাতে পারলাম, সেদিন ভীষণ খুশি মনে সত্যটা বললাম, “আম্মা আমি একটা কফিশপে কাজ করি, ওখানে আমি এখন সুপারভাইজার।” ফোনের ওপারে আম্মার চোখে একটু পানি জমেছিল হয়তো, বলার সময় আমারও গলা কাঁপছিল। কিন্তু দু’জনেই বেশ চালাকি করে সেই সময়টা পার করতে পেরেছিলাম।
এরপর চেষ্টা শুরু হলো ড্রাইভারস লাইসেন্স নেওয়ার। প্রিয় মিজান ভাইয়ের কাছ থেকে লেসন নিয়ে আস্তে আস্তে জি ওয়ান, জি টু তারপর জি লাইসেন্স নিয়ে ফেললাম। ড্রাইভিং জানাটা খুব জরুরি এদেশে জীবন যাপনের জন্য। কাজের জন্যে এখানে সেখানে যাওয়া, এমনকি বাজার সদাই করার জন্য হলেও আমাদের সবার ড্রাইভিংটা শিখে নেওয়া উচিত বলে আমি মনে করি। মিজান ভাই মজা করে বলতেন, এত বেশি বয়সে ড্রাইভারস লাইসেন্স নিতে হলে বয়সের সংখ্যার সমান লেসন নিতে হবে নীপা। আমি তো আতঙ্কিত হয়ে পড়লাম। ৩৮/৩৯টা লেসন নিতে হলে যে শত শত টাকা লাগবে সেটা কোথায় পাবো? কিন্তু আদতে অতগুলো লেসন লাগেনি আমার। এরকম করেই ধীরে ধীরে নিজেকে তৈরি করলাম সামনের যুদ্ধের জন্য। প্রথম প্রথম খুব কষ্ট হতো- ঘরের সব কাজ, বাচ্চাদের দেখাশোনা, ওদের পড়াশোনার খোঁজ নেওয়া। আর তার সাথে বাইরের কাজ। কিন্তু কীভাবে কীভাবে যেন সবই ম্যানেজ হয়ে যাচ্ছিল।
৩.
বড়ো মেয়ে এখানে এসে ভর্তি হলো গ্রেড ফাইভে আর ছোটো মেয়ে গ্রেড টু তে। দেশে ওরা দুই বোন ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়তো। স্কলাস্টিকা স্কুলে পড়ালেখার মান যেমনই হোক, বাচ্চারা কিন্তু স্কুলেই ইংরেজিতে কথা বলতে শিখে যায়। তাই এদেশে এসে ওদের তেমন বেগ পেতে হয়নি ইংরেজি বুঝতে অথবা বলতে।
আমার দুই মেয়ে পড়াশোনায় খারাপ ছিল না। এখানে এসে ক্লাসের পড়ালেখায় খুব ভালো না করলেও খারাপ করছিল না। বড়ো মেয়ে মিডল স্কুলের স্পেশাল প্রোগ্রামে চান্স পেলো। আমি ভীষণ খুশি হয়েছিলাম সেদিন। মনে হলো, কষ্টগুলো হয়তো পে-অফ হওয়া শুরু করেছে। আমার ছোটো মেয়ে ভালো ছবি আঁকতো, আমার মনে একটা ইচ্ছে ছিল যে, ও যদি আর্ট নিয়ে পড়াশোনা করতে চায়, আমি ওকে উৎসাহিত করবো।
আমি বরাবরই বাচ্চাদের বলতাম, অন্য বাবা-মায়ের মতো আমি কখনই তোমাদেরকে বলবো না যে, শুধুমাত্র তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্যই আমি দেশ বদলেছি, আমি আসলে আমাদের সবার সুন্দর জীবনের কথা ভেবেই বাংলাদেশ ছেড়ে এখানে এসেছি। সেখানে যেমন আমাদের সবার ভালো থাকার উদ্দেশ্যটা ছিল ঠিক। তেমনি তোমাদের সুন্দর ভবিষ্যতের পরিকল্পনাও ছিল। কাজেই তোমরা কখনই ভিতরে ভিতরে একটা চাপ অনুভব করবে না এটা ভেবে যে, মা বাবা তাদের ক্যারিয়ার বিসর্জন দিয়েছে শুধুমাত্র আমাদেরই জন্য।
একটু খেয়াল করলে দেখা যায় যে, এখানে আসার পর বড়োদের মতো আমাদের বাচ্চাদেরও বিভিন্ন রকম চ্যালেঞ্জের ভিতর দিয়ে যেতে হয়। প্রথমেই যে ব্যাপারটা ওদের ভাবায়, সেটা হলো- কালচারাল ডিফারেন্স। ওরা ঘরের ভিতরে একরকমের সংস্কৃতি দেখে আর ঘরের বাইরে একেবারেই আলাদা রকমের পরিবেশ দেখে। সেটার সাথে খাপ খাওয়ানো সহজ নয় একেবারেই। সেক্ষেত্রে মা-বাবার সহযোগিতা ভীষণ প্রয়োজন।
আমার বাচ্চারা আমার খুব কাছের মানুষ। সহজ করে বলতে গেলে এখনও আমিই ওদের বেস্টফ্রেন্ড। এখানে জীবন ব্যস্ততায় ভরপুর। তারপরও সবকিছুর মাঝে বাচ্চাদের আলাদা করে প্রাইওরিটি দিতে হয়, না হলে খুব সহজে ভিড়ের মাঝে বাচ্চাদের হারিয়ে ফেলতে হয়।
৪.
এদেশে আসার আগে আমার মনে হতো- এখানে সবাই মদ্যপান করেন, প্রত্যেক রাতেই মধ্যরাত অবধি পার্টি করেন। এরা হয়তো পরিবার পরিজন নিয়ে বড্ড উদাসীন। কিন্তু সত্যিই যখন আমি এদের সাথে মেশার সুযোগ পাই, তখন জানতে পারি- এখানে সংসারী মানুষগুলো আমাদের দেশের মানুষের চাইতেও বেশি সংসারী। এঁরা পরিবারকে ভালোবাসে আমাদের মতোই। এবং এরা সকলেই, মোটেও সারারাত ধরে পার্টি বা মদ্যপানের মতো এমন আচরণে অভ্যস্ত নয়। বরং এঁরা আমাদের চাইতেও কনজারভেটিভ এবং বুদ্ধিমান। এভাবেই ধীরে ধীরে আমার ধারণা পাল্টাতে শুরু করলো এদের জীবনযাপন এবং কৃষ্টি কালচার নিয়ে।
ধীরে ধীরে এদেশের কালচার বা সংস্কৃতির সাথে খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা শুরু করলাম। আমি খুব বেশি কথা না বললেও মানুষের সাথে মিশে যেতে পারি সহজে। কাজের কারণে হোক আর আলাপচারিতার সহজবোধের কারণেই হোক, ধীরে ধীরে এখানে বন্ধুর সংখ্যা বাড়তে লাগলো। নিজের মেডিকেল কলেজের কিছু বন্ধুও টরন্টোতে মাইগ্রেটেড হলো। এভাবেই আস্তে ধীরে বন্ধুত্বের পরিধি বাড়তে থাকাটা আশীর্বাদই ছিল আমাদের জন্য।
কানাডার জীবনের আরেকটি বড়ো অংশ জুড়ে ছিল আমার দাম্পত্য জীবনের টানাপোড়েন। আমার বাচ্চাদের বাবা খুব সহজে পারিপার্শ্বিক অবস্থার সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে না। বাবা হিসেবে এদেশে এসে প্রথম যে বিষয়টি নিয়ে এ্যাডজাস্ট করতে হয়, সেটা হলো কাজ। উনি শুরু থেকেই কাজ নিয়ে খুব বেশি বিচার বিবেচনা করতেন আর যার ফলশ্রুতিতে কোনো কাজই তিনি বেশিদিন করতে পারেননি। আর একজন স্বামী বা একজন বাবার একটা স্টেবল কাজ না থাকলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তার পরিবারের সদস্যরা। যার কারণে আমাকেই শক্ত হাতে পরিবারের দায়িত্ব নিতে হয়েছে সবসময়। তাই কোনোদিনই কাজ কমাতে পারিনি। আমি শুরু থেকেই সপ্তাহের ছয়দিন কাজ করতাম এখনও করছি। জানি না সামনের দিনগুলোতে আমার জন্য কী অপেক্ষা করছে।
সময় খুব দ্রুত চলে যায়। জানি না, কানাডায় হয়তো আরও বেশি দ্রুত গতিতে ছুটতে থাকে সময়। ভাবতেই অবাক লাগে, আমাদের জন্য ২০২৫ সালের কানাডা ডে ছিল ‘ষোলোতম কানাডা ডে’! এই ষোলো বছর সহজ ছিল না মোটেই, তবে এর মাঝে বাচ্চারা বড়ো হয়েছে, আমি পড়াশোনাও করেছি অল্পবিস্তর। নিজের পড়ালেখা রিলেটেড কাজও করছি বহু বছর ধরে। ভালো সময়, কঠিন সময়, সবটুকু মিলিয়ে কানাডার জীবন আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। আর আমার নিজস্ব আমিকে খুঁজে পেতে ভীষণ সাহায্য করেছে এই অসম্ভব সুন্দর দেশটি।
এটা আমার দেশ, আমাদের সবার দেশ, এবং এখানে আমরা সবাই সমান আনন্দ আর স্বাধীনতা নিয়ে বাঁচবো। কানাডা আমাদের সেকেন্ড হোম। ও কানাডা, আওয়ার হোম অ্যান্ড নেটিভ ল্যান্ড!
লেখক পরিচিতি
মা-বাবার একমাত্র সন্তান। ১৯৯৮ সালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস। ১৯৯৯ সালে ইন্টার্নশিপ শেষে এনজিওতে মেডিকেল অফিসার হিসেবে কাজ শুরু। এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পেডিয়াট্রিক্স বিভাগে অনারারী ডাক্তার হিসেবে কাজ করার সুযোগ। পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন করেন পাবলিক হেলথে ২০০৬ সালে। আল্ট্রাসাউন্ডে ডিপ্লোমা করেন ২০০৮ সালে। ২০১০ সাল থেকে কানাডায় অভিবাসী।

