মাটির কাছাকাছি
অনেকদিন শহুরে জীবনে থাকার পর হঠাৎ করেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলাম, মাটির কাছে থাকলে কেমন হয়। মাটির কাছে থাকা- কথাটা কেমন অদ্ভুত, তাই না? কানাডায় শহরের জীবনেও বাড়িগুলো এমনভাবে…
অনেকদিন শহুরে জীবনে থাকার পর হঠাৎ করেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলাম, মাটির কাছে থাকলে কেমন হয়। মাটির কাছে থাকা- কথাটা কেমন অদ্ভুত, তাই না? কানাডায় শহরের জীবনেও বাড়িগুলো এমনভাবে…
কবি আলবার্ট ফ্যাঙ্ক মারিৎজ, কানাডার বহুল পরিচিত একজন কবি। তিনি নির্বাহী সম্পাদক, প্রকাশক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসেবে বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করেছেন। ১৯৪৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৯০ সালে গুগেনহেইম ফেলোশিপ পান – কবিতার জন্য । ওর কবিতা প্রিন্সটন সিরিজ কনটেম্পোরারি পোয়েটসে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ২০০৫ সালে কবিতার জন্য রিলিট পুরস্কার, ২০০৯ সালে গ্রিফিন কবিতা পুরস্কার এবং ২০১৩ সালে রেমন্ড সাউস্টার পুরস্কার বিজয়ী।
ষড়ঋতুর দেশ থেকে চার ঋতুর দেশে এসে পৌঁছলাম। একটু অবাক ভাবনা মাথার ভিতরে ছয় ঋতু না হয়ে চার ঋতু হয় কীভাবে! তখন শীতের শেষ,ছেঁড়া ছেঁড়া সাদা তুষার পড়ে আছে এখানে ওখানে। বসন্ত শুরু হয়ে গেছে কিন্তু হাড় কাঁপিয়ে দেয়া শীত। শীতের দেশ হিসাবেই জানতাম কানাডাকে। এমন তুষার আবৃত শীতের সাথেই অভ্যস্থ হয়ে উঠতে হবে। অথচ কিছুদিন যেতে না যেতে দেখলাম বসন্তবাহার। এমন বসন্ত কখনও দেখিনি আর। এত ফুল ফুটে এত পাখি গায় এখানে। আমাদের দেশে বসন্তের ফুলগুলো ম্রিয়মান মলিন ধূসর ধুলায় ঢাকা। অথচ কানাডায় চকচকে রঙের বাহার। পাতাবিহীন গাছে শুধু ফুল ।