অতনু দাশ গুপ্ত
অতনু দাশ গুপ্ত বাংলাদেশের চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
বর্তমানে নোভা স্কসিয়ার হ্যালিফ্যাক্স শহরের বাসিন্দা অতনুর প্রথম গল্প ‘দুর্গমপথের অভিযাত্রীরা’ প্রকাশিত হয় ২০১৬ সালে। ২০২৩ সালে তাঁর প্রথম গ্রন্থ ‘গল্পে সপ্লে কিছুক্ষণ’ ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়েছে। ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম আলোর দূর পরবাস বিভাগে তাঁর লেখা নিয়মিত ছাপা হয়। তিনি টরন্টো থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক বাংলামেইল এবং বাংলা কাগজেও নিয়মিত লিখে থাকেন।
অতনু দাশ গুপ্ত’র বইসমূহ

গল্পেসল্পে কিছুক্ষণ

কানাডার পথ ও রথের বৃত্তান্ত
অতনু দাশ গুপ্ত’র লেখাসমূহ
-
কানাডায় চাকরি ক্ষেত্রে আমার অভিজ্ঞতা
জীবনে সফলতা আর ব্যর্থতা আশ্চর্যজনক চক্রাকারে আবর্তিত হয়। কর্মসংস্থানের সূচনালগ্ন এবং ক্রান্তিকাল হরহামেশাই মূল গতিপথ পালটে দেয়। যতই নিয়মনিষ্ঠা মেনে চলা ব্যক্তি আপনি হোন না কেন, একদিন …
-
বিশাল কানাডার সাদৃশ্যস্বরূপ এর সাহিত্যের ভান্ডার
১৬২৮ সালে লন্ডন থেকে প্রকাশিত রবার্ট হেইম্যানের ‘কুয়োডলিবেটস’-কে বলা হয় কানাডার প্রথম কাব্যসৃষ্টি। এরপর ১৭৬৯ এর ‘দ্য হিস্ট্রি অব এমিলি মন্টেগু’ – ক্যানলিটের প্রথম উপন্যাস যার স্রষ্টা ফ্রান্সেস মুর ব্রুক। ১৯০৬ সালে টরন্টো থেকে আর্চিবল্ড ম্যাকমার্চি প্রকাশ করেন ‘হ্যান্ডবুক অব কানাডিয়ান লিটারেচার’। কানাডিয়ান সাহিত্য নিয়ে প্রকাশিত প্রথম কোন সহায়ক বই ছিল এটি!
-
ষড়ভুজের মণ্ডল কানাডা
দেশ দেশান্তরে ঘড়ির কাটা কখনও এক থাকে না। কারণ একেক দেশ ওই জায়গার নির্দিষ্ট সময়ের মানদণ্ড মেনে চলে। আমরা যখন এক দেশ থেকে অন্য দেশে ভ্রমণ করি তখন সেভাবে ঘড়ি ঠিক করে নিতে হয়। সর্বউত্তরের নুনাভুট, ইউকন থেকে শুরু করে সর্বদক্ষিণের প্রিন্স এডওয়ার্ড আইল্যান্ড, সেন্ট জোনস দ্বীপপুঞ্জ, নিউ ফাউল্যান্ড। আমরা বলছি আটলান্টিক সাগর পাড়ের শ্বেতকন্যা কানাডার কথা। তার সীমানা এত দূর দূরান্তে বিস্তৃত যে তাকে ছয়টি সময় নির্ঘন্ট মেনে চলতে হয়। আয়তনে রাশিয়ার ঠিক পরেই অবস্থান করা কানাডার সময়ের মান-মণ্ডল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে মিলে যায়। ওখানেও ছয়টি ভিন্ন ঘড়ি চলে। সবচেয়ে বেশি ভিন্ন ভিন্ন সময়ের হিসাবে চলে রাশিয়া – মোট এগারো বার আপনাকে ঘড়ির কাটা পালটাতে হবে ওই দেশে বেড়াতে গেলে।