মনীষ পাল

মনীষ পালের জন্ম বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায়। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুরকৌশলে স্নাতক মনীষ ২০০০ সালে  সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। পরবর্তীকালে  কানাডার ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বনামধন্য অসগুড ল স্কুল থেকে জ্বালানি এবং অবকাঠামো আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। কর্পোরেট সেক্টরে মনীষের কাজের অভিজ্ঞতা প্রায় দীর্ঘ তিরিশ বছরের। বর্তমানে মনীষ কানাডায় রেগুলেটেড অভিবাসন উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন।  

দেশ বিদেশের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের দিকে মনীষের সুতীক্ষ্ণ নজর। মনীষের প্রথম প্রকাশিত বই ‘কথায় কথায়’। তাছাড়া মনীষ আত্মজীবনীমূলক ফিক্শন নিয়ে পরীক্ষা করে চলেছেন। সেসব লেখা কানাডার বাংলাভাষী পত্রপত্রিকায় ছাপা হচ্ছে।

তিনি ২০০৬ সাল থেকে টরন্টোয় বসবাস করছেন। 

মনীষ পাল-এর লেখাসমূহ

  • কানাডায় একাত্তর বাঙালির অভিজ্ঞতা: শাহানা মহুয়ার ‘সুদূরপারের জীবন পুরাণ’ নিয়ে বেলা-অঞ্জন সংলাপ

    আজকে অনেকদিন পর বেলার ফোন। ফোন করেই জানতে চায়,  কী করছো। অঞ্জন মৃদু  উত্তর দেয়, একটু ব্যস্ত আছি। বেলা ছাড়ে না। কী নিয়ে ব্যস্ততা। অঞ্জন ভাবে, না বলা পর্যন্ত ঠাঁই নেই।

  • তালপাতার পুথি- পনেরোই আগস্ট এবং বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আখ্যান

    তালপাতার পুঁথি হলো প্রাচীন ভারতীয় ও দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় সভ্যতায় তালগাছের শুকনো পাতার ওপর হাতে লেখা পাণ্ডুলিপি। কাগজ আবিষ্কারের আগে সাহিত্য, ধর্মীয় গ্রন্থ, জ্যোতির্বিজ্ঞান …

  • |

    আমার রাজনীতির দূরবীন

    রাজনীতি এমন একটা বিষয়, আমরা কেউ-ই তার বাইরে নই। কথায় আছে, আমরা কেউ রাজনীতির টেবিলে, আর কেউ মেনুতে, কিন্তু আছি কোনো না কোনো ভাবে। আমি যখন কানাডায় আসি ২০০৬-এর…

  • কানাডার রাজনীতি নিয়ে বেলা-অঞ্জন সংলাপ

    প্রায় প্রতি সপ্তাহের মতো এবারও তারা ঘড়ির কাটা গুনে তাদের পছন্দের জায়গাটায়  এসে বসলো। স্কারবোরো ব্লাফসকে পেছনে রেখে এই জায়গাটা দারুণ সুন্দর – সামনে বয়ে গেছে অন্টারিও লেক, আকাশে উড়ছে গাংচিল, বাতাসে বসন্তের গন্ধ। প্রকৃতির সান্নিধ্যে তারা কত কিছু নিয়েই কথা বলে। প্রেম, ভালোবাসার প্যানপ্যানানি  বিষয় নয়, বা নয় কে কাকে সারা সপ্তাহ না দেখে মিস করছে। মিস করলেও মুখ ফুটে সেসব বলতে দুজনেরই বাধে। হাজার হলেও কিশোর কিশোরী তো নয়। তবে কথা শুরু হলে কথার খৈ ফুটতে থাকে বেলার মুখে। অঞ্জন বেশির ভাগ সময় শুনেই যায়। যদি মনে করে, কোনো বিষয়ে বেলার হাইপোথেসিসে একটু গলা না মিলিয়ে বিপরীত দিকটা তুলে ধরবে, তখন গলার স্বর যতটা সম্ভব নীচে নামিয়ে বলতে শুরু করে।